সেবা

টিকিটিং

অনলাইনেও বিক্রি করুন, গেটেও। টিকিট কাটে একই স্টক থেকে।

বেশিরভাগ ইভেন্ট আসলে দুবার বিক্রি হয়। সপ্তাহের পর সপ্তাহ অনলাইনে, তারপর শো-র দিন দুই ঘণ্টা ভেন্যুর বাইরের কাউন্টারে। এই দুটোকে আলাদা সিস্টেমে চালালে সারা সন্ধ্যা ফোন কানে ঘুরতে হয়, H সারিটা আদৌ খালি আছে তো? এখানে দুটো একটাই জিনিস। ওয়েব স্টোর, বক্স অফিস আর গেটের স্ক্যানার। তিনটেই একই স্টকে পড়ে, একই স্টকে লেখে। তাই গেটে বিক্রি হওয়া শেষ সিটটা সঙ্গে সঙ্গেই সব জায়গায় শেষ।

অনলাইন

  • আপনার নিজের ডোমেইন, নিজের ব্র্যান্ডিং। ক্রেতাকে এমন কোনো মার্কেটপ্লেসে যেতে হয় না যেখানে আপনার পাশেই অন্যের ইভেন্ট ঝুলছে
  • ইন্টারঅ্যাক্টিভ ভেন্যু ম্যাপ থেকে রিজার্ভড সিটিং, জেনারেল অ্যাডমিশন, বা একই ইভেন্টে দুটোই
  • প্রাইস টিয়ার চেকআউটেই ধরা হয়, ক্রেতার সততার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় না
  • সবার জন্য খোলা নয় এমন ইভেন্টের জন্য প্রি-রেজিস্ট্রেশন, হোয়াইটলিস্ট আর ডাইরেক্ট-লিংকে বিক্রি
  • কুপন, কম্বো, UTM ট্র্যাকিং আর অ্যাফিলিয়েট লিংক। কোন পোস্টটা আসলে টিকিট বেচেছে বুঝতে পারবেন
  • প্রতি টিকিট টাইপে আলাদা রেজিস্ট্রেশন ফিল্ড, একবারই জিজ্ঞেস করা হয়, উত্তরটা অ্যাটেন্ডির সঙ্গেই জমা থাকে

ভেন্যুতে

  • ইভেন্টের দিন বক্স অফিস কাউন্টারে বিক্রি, ক্যাশ বা ওয়ালেট, টিকিট ছাপা হয় হাতে হাতেই
  • যেকোনো ফোনই স্ক্যানার, নিজে না চাইলে আলাদা হার্ডওয়্যার ভাড়া করার দরকার নেই
  • ভেন্যুর ওয়াইফাই চলে গেলেও স্ক্যান চলতে থাকে, নেট ফিরলে নিজেই মিলিয়ে নেয়
  • দরজা খোলা থাকতেই গেট ধরে ধরে লাইভ এন্ট্রি কাউন্ট, পরের রিপোর্টে নয়
  • বক্স অফিস যে ড্যাশবোর্ডে কাজ করছে, সেখান থেকেই রি-ইস্যু, ট্রান্সফার আর রিফান্ড
  • স্ক্যানার অ্যাকাউন্ট রোল ধরে সীমিত, গেটের স্টাফ কখনও টাকার অঙ্ক দেখেন না

এখানকার মানুষ যেভাবে টাকা দেয়, ঠিক সেভাবেই

বাংলাদেশে বেশিরভাগ ক্রেতার কার্ডই নেই। কার্ড আছে ধরে নেওয়া চেকআউট প্রথম ত্রিশ সেকেন্ডেই বিক্রিটা হারায়। এখানে ওয়ালেটই ডিফল্ট, পরে জোড়াতালি দিয়ে বসানো কোনো ইন্টিগ্রেশন নয়: টাকায় বিকাশ, নগদ, উপায় আর পাঠাও পে; বাথে PromptPay, TrueMoney, Rabbit LINE Pay, KBank, SCB আর ShopeePay; আর কার্ড সব জায়গাতেই।

bKashPathao PayPromptPayCards

টিকিটিংয়ের সবচেয়ে কঠিন কাজটা হলো একটা ম্যাচ, সবাই এসে পড়ে ওই একই বিশ মিনিটে।

আসল মিনিটটাতেই টিকে যায়

টিকিট ছাড়ার সময়টা সমান তালে আসা ট্রাফিক নয়। ওটা ঘড়ি ধরে হওয়া হুড়োহুড়ি, আর টিকিটিং প্ল্যাটফর্মকে মানুষ ওই এক মিনিট দিয়েই মাপে।

একটা খেলার টিকিট ছাড়ার সময় ত্রিশ মিনিটে ২৭ লাখ রিকোয়েস্ট আমরা সামলেছি, ৫,০০,০০০+ মানুষ একসঙ্গে ছিলেন। গতি এক চুলও কমেনি। Quicket বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অফিশিয়াল টিকিটিং পার্টনার, AFC প্রতিযোগিতার ম্যাচের টিকিটিংও আমরাই সামলাই। এ পর্যন্ত ২৫০+ ইভেন্ট আর ৪,০০,০০০+ টিকিট গেছে এই প্ল্যাটফর্ম দিয়ে, আর ৯২% আয়োজক পরের ইভেন্টটাও এখানেই করেন।

দর্শক আপনারই থাকে

চেকআউট হয় আপনার ডোমেইনে, আর প্রতিটা ক্রেতা জমা হয় আপনার নিজের ডেটাবেসে। ফিল্টার করুন, এক্সপোর্ট করুন, যা খুশি। কোনো লক-ইন নেই, এক্সক্লুসিভিটির শর্তও নেই। ছেড়ে গেলে তালিকাটাও আপনার সঙ্গেই যায়, আর আগের ইভেন্টগুলো এখানে তুলতে এক পয়সাও লাগে না। দর্শকের সঙ্গে সম্পর্কটা আপনার, সেটা আবার আপনাকেই ভাড়া দেওয়ার ইচ্ছে আমাদের নেই।

সাধারণ প্রশ্ন

অনলাইনের পাশাপাশি ইভেন্টের দিন ভেন্যুতেও বিক্রি করা যাবে?

যাবে। বক্স অফিস কাউন্টার ক্যাশ বা ওয়ালেটে বিক্রি করে, টিকিট ছাপে হাতে হাতেই। ওয়েব স্টোর যে স্টক থেকে বেচছে, ঠিক সেটা থেকেই। গেটে বিক্রি হওয়া শেষ সিটটা সঙ্গে সঙ্গেই সব জায়গায় শেষ, তাই পরে দুটোর হিসাব মেলাতে বসতে হয় না।

ক্রেতারা কী কী দিয়ে পেমেন্ট করতে পারেন?

বাংলাদেশে: টাকায় বিকাশ, নগদ, উপায় আর পাঠাও পে, সঙ্গে কার্ড। থাইল্যান্ডে: বাথে PromptPay, TrueMoney, Rabbit LINE Pay, KBank, SCB আর ShopeePay, সঙ্গে কার্ড। এখানে ওয়ালেটই ডিফল্ট, পরে বসানো ইন্টিগ্রেশন নয়। কারণ বাংলাদেশে বেশিরভাগ ক্রেতার কার্ডই নেই।

ভেন্যুতে ইন্টারনেট না থাকলে স্ক্যান কাজ করবে?

করবে। ওয়াইফাই চলে গেলেও স্ক্যান চলতে থাকে, নেট ফিরলে নিজেই মিলিয়ে নেয়। গেটে লাইন থেমে থাকে না। যেকোনো ফোনই স্ক্যানার, তাই নিজে না চাইলে হার্ডওয়্যার ভাড়া করার দরকার নেই।

অ্যাটেন্ডির ডেটা কার?

আপনার। চেকআউট হয় আপনার নিজের ডোমেইনে, আর প্রতিটা ক্রেতা জমা হয় আপনার ডেটাবেসে। ফিল্টার আর এক্সপোর্ট দুটোই করা যায়। কোনো লক-ইন বা এক্সক্লুসিভিটির শর্ত নেই, আর আগের ইভেন্টগুলো এখানে তুলতে এক পয়সাও লাগে না।

একই ইভেন্টে রিজার্ভড সিটিং আর জেনারেল অ্যাডমিশন দুটোই চালানো যায়?

যায়। ইন্টারঅ্যাক্টিভ ভেন্যু ম্যাপ থেকে সিট ধরে ধরে রিজার্ভড সিটিং আর জেনারেল অ্যাডমিশন ক্যাটাগরি, দুটোই এক ইভেন্টে থাকতে পারে। আর প্রাইস টিয়ার চেকআউটেই ধরা হয়, ক্রেতার সততার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় না।

আমরা আর যা যা করি

আপনার ইভেন্টের কথা বলুন

কত লোক ধরে, কোন ভেন্যু, সিটে নম্বর আছে কি না। এটুকু জানান। আপনি কোনো কিছুতে রাজি হওয়ার আগেই ইভেন্টটা বানিয়ে টেস্ট করার জন্য রেডি রাখব।