এন্ড-টু-এন্ড টিকিট স্ক্যানের গতি
গেটের প্রতিটি স্ক্যান সার্ভারে যায়, যাচাই হয়, নিশ্চিত হয়ে ফেরে। পুরো নেটওয়ার্ক রাউন্ড-ট্রিপসহ। ইন্ডাস্ট্রি-স্ট্যান্ডার্ড গেট সিস্টেমের চেয়ে ৩–৭× দ্রুত।
৩ মিনিটেরও কম সময়ে বিক্রি হওয়া আসন
বাংলাদেশ বনাম ভারত। ১৮,০০০+ টিকিট ১৮০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে কেনা, যাচাই ও ইস্যু হয়েছে। সর্বোচ্চ চাপের সময় সেকেন্ডে ~১০০ লেনদেন।
একসাথে ব্যবহারকারী। শূন্য ক্র্যাশ।
একসাথে প্ল্যাটফর্মে পাঁচ লাখ দর্শক। কিউ রুম নেই। এরর পেজ নেই। দুঃখ প্রকাশ করে পাঠানো ইমেইলও নেই।
লাইভ লোডে প্ল্যাটফর্ম বিভ্রাট
বাংলাদেশে চলতি অন-সেল ইভেন্টের সময় Quicket কখনো বন্ধ হয়নি, ট্রাফিক হঠাৎ বেড়ে গেলেও নয়, হাই-স্টেক ম্যাচেও নয়। কখনোই নয়।
শূন্য থেকে লাইভ
হাতে ২৪ ঘণ্টাও নেই, তার মধ্যেই পুরো প্ল্যাটফর্ম নতুন করে তৈরি। কনফিগার, টেস্ট, সিকিউর, ডিপ্লয়। সব হয়ে গেছে। কোনো দেরি হয়নি।
গেট স্ক্যানের গতি
Quicket বনাম ইন্ডাস্ট্রি
স্কেল: ০ – ৬০০ ms
বিক্রয়ের ঊর্ধ্বগতি
১৮,০০০ টিকিট · ৩ মিনিট
আপটাইম রেকর্ড
প্রতিটি লাইভ অন-সেল ইভেন্ট
যে নিরাপত্তায় ভরসা রাখা যায়
Quicket-এর প্রতিটি টিকিট ক্রিপ্টোগ্রাফিকভাবে আলাদা। নকল বানানোই যায় না। ট্রান্সফার হয় মালিকের হাতে। জালিয়াতি এখানে কাঠামোগতভাবেই অসম্ভব, শুধু নিরুৎসাহিত করা নয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মুহূর্তে আস্থার নাম
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (BFF)-এর অধীনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং তার বাইরেও, দেশের সবচেয়ে বেশি চাহিদার অন-সেল ইভেন্টগুলোর টিকিটিং সামলেছে Quicket। ঝুঁকি যখন সবচেয়ে বেশি, আয়োজকরা তখন সেই প্ল্যাটফর্মই বেছে নেন যার রেকর্ড কথা বলে।