
বসন্তের আমেজে ভালবাসার উৎসব। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বসন্ত এবং ভালবাসা উৎসবে থাকছে অনেক অনেক চমক। ১৫ই ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার এই অনুষ্ঠানটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৭ টায় আর শেষ হবে ভোর ৪ টায়।
কি থাকছে এই অনুষ্ঠানে? এক নজরে দেখে নেওয়া যাক!
সন্ধ্যা ৭ঃ০০
প্রোগ্রামের পর্দা উঠবে। ইতিমধ্যেই অন্যান্য অ্যাক্টিভিটি এবং ফান গেইম শুরু হয়ে গেছে। যেমন ফায়ার ব্রিদিং, মাড গেইম, কালার স্প্ল্যাশ ইত্যাদি। এছাড়া ইভেন্টে থাকবে হাওয়াই মিঠাই, ফুসকা সহ অনেক ফুড কার্ট।
সন্ধ্যা ৭ টা থেকে শুরু হবে মিউজিক কনসার্ট। চলবে ৮ঃ৩০ পর্যন্ত।
রাত ৮ঃ৩০
ইতিমধ্যেই আমাদের বুফে বারবিকিউ শুরু হয়ে গেছে। যে যার মত হালকা ঠান্ডায় বারবিকিউ গুলো নিয়ে খেতে থাকবে আর সাথে প্রোগ্রাম এঞ্জয় করতে থাকবে।
এখন শুরু হবে ফ্যাশন শো। বাংলাদেশের টপ মডেলরা হাটবে এই স্টেজে। তিনটা বিভাগে হবে এই ফ্যাশন শো। প্রথমে ব্রাইডাল, এরপর ওয়েস্টার্ন আর সবশেষে হবে দেশীয় ঘরানার পোশাকে ফ্যাশন শো। একেবারে কাছ থেকে দেখতে পারবেন সকল মডেলদের।
রাত ৯ঃ৩০
ফ্যাশন শো শেষ হলো। এইবার যে যার মত ৩০ মিনিটের একটা ব্রেক নিবে। কারণ এর পরেই শুরু হবে আমাদের ডিজে নাইট। চলবে একটানা ১ টা পর্যন্ত। নাচতে নাচতে টায়ার্ড হয়ে গেলে থাকবে ড্রিংস আর কফির ব্যবস্থা। যদিও এগুলো টিকেটের অন্তর্ভূক্ত নয়। টাকা দিয়ে কিনেই খেতে হবে। যদিও স্ন্যাক্স থাকবে, যেগুলো টিকেটের সাথেই ফ্রী।
রাত ১ঃ৩০
চারিদিকে শুনশান নীরবতা। ঝিঁঝিঁপোকার ডাক শোনা যাচ্ছে দূর থেকে। এখন শুরু হতে যাচ্ছে আমাদের মূল আকর্ষণ কাওয়ালী। ইতিমধ্যেই আমাদের ভলেন্টিয়াররা স্টেজ এবং বসার জায়গার ধরণ বদলে দিয়েছে। পাকিস্তানের যেমন মাটিতে গালিচা বিছিয়ে শুয়ে-বসে কাওয়ালী শোনা যায়, আমরাও ঠিক একই ভাবেই শোনার ব্যবস্থা করছি।
এখানে কাওয়ালী গাইবেন দক্ষীণ এশিয়ার ওয়ান অব দ্য বেস্ট কাওয়াল, নাদীম রেযা কাওয়াল। উনি বাংলাদেশের চেয়ে বেশি পারফর্ম করে তুরস্ক, ইরান, ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তানে। উনার কাওয়ালী শুনতে শুনতে আমরা ভোরের আলো ফোটাবো।
ভোর ৪ঃ৩০
এবার ঘরে ফেরার পালা। চাইলে তাবু বা রিসোর্টে (যাদের টিকেটের সাথে যেটা আছে) ঘুমিয়ে সকাল বেলা ঢাকা ফিরতে পারেন অথবা চাইলে তখনই চলে আসতে পারেন ঢাকাতে।
কি কি অন্তভূর্ক্তঃ
১। ইভেন্টের টিকেট, এন্ট্রি পাস
২। বুফে বার বি কিউ
৩। স্ন্যাক্স
কি কি অন্তর্ভূক্ত নয়ঃ
১। ফুড কার্টে যে কোনো খাবার
২। সফট বা হার্ড ড্রিংক্স
৩। চা-কফি
প্রোগ্রাম শুরুঃ সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিট
প্রোগ্রাম শেষঃ ভোর ৪ঃ৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে ভেন্যুর দূরত্বঃ
ঢাকা থেকে সাভানা ইকো রিসোর্ট মাত্র ২ ঘন্টার ড্রাইভ। ঢাকা থেকে জ্যাম ঠেলে গাজীপুর যেতে যে সময় লাগে তার চেয়েও কম সময়ে বাংলাদেশের সেরা এক্সপ্রেস ওয়ে ধরে পদ্মা সেতুর সৌন্দর্য্য উপভোগ করে পৌছে যাবেন আমাদের ভেন্যুতে। পদ্মা সেতু থেকে মাত্র ৪০ মিনিটের দূরত্ব। ভাঙার একদম কাছেই।
নিজের গাড়ি না থাকলেঃ
নিজের গাড়ি না থাকলেও কোনো সমস্যা নাই। আমরা এসি বাসে করে সকল গেস্টদের নিয়ে যাওয়া এবং আসার ব্যবস্থা করেছে। এক্ষেত্রে পিক-এন্ড-ড্রপের জন্য অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা করে দিতে হবে টিকেটের সাথে।
এছাড়া PizzaBurg এর সকল ব্র্যাঞ্চে অফলাইনেও টিকেট পাওয়া যাবে।
বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ
০১৮৪০০৬৫৯২৫

This event has ended.